
ব্রাসিলিয়া, ২০ জুন – বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে হাইতির বিপক্ষে প্রথমার্ধেই নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের এক গোলে বিরতিতে যাওয়ার আগেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
পুরো ম্যাচে সেলেসাওদের দাপুটে ফুটবলের সামনে হাইতি কার্যত কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি। ম্যাচের শুরুর দিকে হাইতির ডিফেন্ডাররা কিছুটা শৃঙ্খলা বজায় রাখলেও ব্রাজিলের ক্রমাগত আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় তাদের।
খেলার চতুর্থ মিনিটে ডগলাস সান্তোসকে ফাউল করার দায়ে হলুদ কার্ড পান হাইতির কার্লেন্স আর্কুস। ২০২৬ বিশ্বকাপের আসরে এখন পর্যন্ত এটিই দ্রুততম হলুদ কার্ডের রেকর্ড। ১২ মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের অসাধারণ এক পাস থেকে রাফিনহা জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
অবশেষে ম্যাচের ২৩ মিনিটে ডেডলক ভাঙতে সক্ষম হয় ব্রাজিল। গিমারায়েসের পাস থেকে বল পেয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বক্সে ঢুকে জোরালো শট নেন। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিদে বলটি ঠেকাতে চাইলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। ডিফেন্ডার ডেলক্রোয়ার ক্লিয়ার করার চেষ্টায় বল কুনহার গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। এই গোলটি ছিল ২০১৮ সালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ফিলিপে কুতিনহোর গোলের পর বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের দ্রুততম গোল।
৩৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড ম্যাথিউস কুনহা। ভিনিসিয়ুসের নিখুঁত পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দূরহ কোণ থেকে অসাধারণ এক শটে গোল করেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন বার্সেলোনা তারকা রাফিনহা। তার বদলে ঝুঁকি না নিয়ে মাঠে নামানো হয় তরুণ প্রতিভা রায়ানকে।
প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। লুকাস পাকেতার অসাধারণ এক লং পাস থেকে বল পেয়ে সরাসরি প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩-০ ব্যবধান নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। ম্যাচে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়ে অনন্য ভূমিকা পালন করেন।
এনএন/ ২০ জুন ২০২৬






