নয়াদিল্লি, ৯ মার্চ – অসংখ্য রেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। শিরোপা ধরে রাখা, টানা দুটি ট্রফি জয় এবং স্বাগতিক হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাধ্যমে নতুন ইতিহাস গড়েছে দলটি।
পাশাপাশি কোচ হিসেবে গৌতম গম্ভীরও দুটি আইসিসি ইভেন্ট জয়ের অনন্য কীর্তি গড়েছেন। এই সাফল্যের জন্য স্কোয়াডের খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফদের পাশাপাশি দলের বাইরের চারজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে কৃতিত্ব দিয়েছেন গম্ভীর। ভারতীয় দলের প্রধান কোচ এই সাফল্যের নেপথ্য কারিগর হিসেবে রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ, প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার এবং বিসিসিআই সচিব জয় শাহের নাম উল্লেখ করেছেন।
গম্ভীর বলেন, এই শিরোপা তিনি রাহুল ও লক্ষ্মণকে উৎসর্গ করতে চান। ভারতীয় ক্রিকেটকে আজকের এই শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য তাদের অবদান অনস্বীকার্য। এছাড়া প্রবল সমালোচনার মুখেও নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করায় অজিত আগারকারের প্রশংসাও করেছেন তিনি।
নিজের কোচিং ক্যারিয়ারে জয় শাহের অবদানের কথা স্মরণ করে গম্ভীর জানান, কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকার পরও জয় শাহ তার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। এমনকি নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার কঠিন সময়েও তিনি ফোন করে উৎসাহ জুগিয়েছেন। গম্ভীরের মতে, এই চারজনের হাতে ভারতীয় ক্রিকেট অত্যন্ত নিরাপদ।
দলের মানসিকতা পরিবর্তনের বিষয়ে গম্ভীর জানান, তিনি এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব খেলোয়াড়দের মধ্যে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার মানসিকতা তৈরি করেছেন। এখন আর ১৬০ বা ১৭০ রানের লক্ষ্য নিয়ে দল খেলে না বরং ঝুঁকি নিয়ে হলেও ২০০ রানের বেশি করার চেষ্টা থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঝুঁকি নিতে গিয়ে ১০০ রানে অলআউট হওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বড় সাফল্য পেতে হলে উচ্চ ঝুঁকি নেওয়া অপরিহার্য।
পরিশেষে তিনি দেশের হয়ে খেলাকে সর্বোচ্চ গর্বের বিষয় বলে উল্লেখ করে প্রতিটি ম্যাচে জয়ের মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামার আহ্বান জানান।
এনএন/ ৯ মার্চ ২০২৬






