<![CDATA[
বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করা হচ্ছে।
রোববার (২৬ মার্চ) ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসটির সূচনা করা হয়। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফারুকী পার্কের স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র নায়ার কবীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে একে একে সর্বস্তরের মানুষের জন্য স্মৃতিসৌধটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
এ সময় স্মৃতিসৌধে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কণ্ঠে একটি দাবি ছিল, ২৫ মার্চ কালরাতের গণহত্যা দিবসকে যেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। পাশাপাশি জাতীর পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তার কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে বর্ণিল সাজে জাতীয় স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের একটি দেশ দিয়ে গেছেন। তিনি যে লক্ষ্যে এ দেশকে স্বাধীন করেছিলেন, তার সে স্বপ্ন পূরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী বলেন, ‘২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাক হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট নামে বাঙালিদের হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল। এরপর ২৬ মার্চ মধ্যরাত থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাঙালি জাতি। টানা নয় মাস যুদ্ধের পর আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু স্বাধীনতার ৫২ বছর পেরিয়ে গেলেও ২৫ মার্চের বর্বর গণহত্যার ঘটনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমরা পাইনি। আমরা চাই আমাদের দাবিটি যেন জাতিসংঘ দ্রুত স্বীকৃতি প্রদান করে।’
আরও পড়ুন: মোমেনকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অনেকদূর এগিয়ে গেছে। আমরা আশা করছি, আগামী দিনগুলোতে আমাদের সন্তানরা একটি উন্নত রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে।’
পরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
]]>



