ভারতের অনুমতি ছাড়া কীভাবে একটি সংগঠন শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন করে, প্রশ্ন রিজভীর  | চ্যানেল আই অনলাইন

ভারতের অনুমতি ছাড়া কীভাবে একটি সংগঠন শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন করে, প্রশ্ন রিজভীর  | চ্যানেল আই অনলাইন

ভারতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তাঁর প্রশ্ন, ভারত সরকারের অনুমতি ছাড়া একটি সংগঠন কীভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করতে পারে। একই সঙ্গে তিস্তা ব্যারেজ ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর প্রসঙ্গ তুলে বিষয়টি গভীরভাবে বিশ্লেষণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভারত সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো সংগঠন কীভাবে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করতে পারে এ প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন। তাঁর দাবি, তিস্তা ব্যারেজ নিয়ে আলোচনা এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর প্রসঙ্গের সঙ্গে এই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা দরকার।

তিনি বলেন, যখন তিস্তা ব্যারেজের কথা হচ্ছে, চীন-মায়ানমার-বাংলাদেশ করিডরের জন্য কি হাসিনা কার্ড খেলা হচ্ছে? এটা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।

তাঁর অভিযোগ, এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও দুই দেশের পারস্পরিক সম্মানের প্রশ্ন তুলছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ভারতে সংবাদ সম্মেলন করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

আমাদের সার্বভৌমত্বকে অপমান করা হচ্ছে। এটা দুই দেশের মিউচুয়াল রেসপেক্টের নজির কীভাবে হতে পারে? হাসিনার সময় খালেদা জিয়াকে ভারতে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়নি। বাইরে বিএনপির বন্ধু আছে, প্রভু নাই।

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় তারেক রহমান প্রতিক্ষণে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

ফ্যাসিবাদের সময় দেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় প্রতিক্ষণে নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। ভয়ংকর আগ্রাসী হতে পারে একজন ফ্যাসিস্ট তার উদাহরণ শেখ হাসিনা।

এদিকে জামায়াত নেতার বাড়িতে আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের চিত্র প্রদর্শনী নিয়েও মন্তব্য করেন রিজভী। সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তির ছবি থাকলেও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার বিষয়টি তুলে ধরে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন, তিস্তা ইস্যু এবং আঞ্চলিক করিডর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির এই নেতা।