ভারতের সাবেক সংসদ সদস্য আতিক আহমেদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনেক প্রশ্ন

ভারতের সাবেক সংসদ সদস্য আতিক আহমেদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনেক প্রশ্ন

৬০ বছর বয়সী আতিক আহমেদের জন্ম এলাহাবাদের একটি দরিদ্র পরিবারে। স্কুলের গণ্ডি পার করতে পারেননি তিনি। তবে তিনি জীবনে অনেক সম্পদের মালিক হয়েছেন। রাজনীতিতে পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছেন। তাঁর ক্ষমতার প্রভাব নিজ শহরের বাইরেও বিস্তৃত হয়েছিল।

এলাহাবাদ শহর থেকে ১৯৮৯ সালে শুরু করে পাঁচ দফায় বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন আতিক আহমেদ। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফুলপুর আসন থেকে সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

রাজ্যের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বিক্রম সিং আতিক আহমেদকে বর্ণনা করেছেন অনেকটা ‘রবিন হুড’ চরিত্রের মতো করে। তাঁর ভাষ্যমতে, আতিক আহমেদ দরিদ্র মানুষের জন্য হাত খুলে খরচ করতেন। মেয়ের বিয়ের জন্য অর্থ দেওয়া, ঈদ বকশিশ এবং সন্তানদের স্কুল ইউনিফর্ম ও বই–খাতা কিনতে সহায়তা করতেন।

তবে তাঁর বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা, চাঁদাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ ছিল। আতিক আহমেদের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা রয়েছে। তিনি এর চেয়ে বেশি অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। ভুক্তভোগীদের অনেকে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতে সাহস পেতেন না বলে জানান বিক্রম সিং।