
🎧অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন
বাংলাদেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে চিত্র উঠে এসেছে, তার বিপরীতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি শতবর্ষী মসজিদ উচ্ছেদের উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের কাছে অবস্থিত ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ার ঘটনায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মসজিদটির ইমামের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ভূমি ও উন্নয়ন অধিদপ্তর মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মসজিদের প্রধান ফটক। তবে নয়া দিল্লি মিউনিসিপাল কাউন্সিলের (এনডিএমসি) ওয়েবসাইটে মসজিদটিকে ঐতিহ্যবাহী সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।
চ্যানেল আইকে তিনি বলেন, দিল্লির কেন্দ্রস্থলে, এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কাছাকাছি এলাকায় এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সুব্রত চৌধুরী বলেন, কোনো ধর্মের কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও প্রতি কোনো ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সবার জন্য একটি রংধনু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচিতেও এ ধারণার উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির কথা উল্লেখ করে সুব্রত চৌধুরী বলেন, সেটা এখনো সংবিধানে আছে। তো সেখানে যদি কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটে, এটা আমরা কষ্ট পাই।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো ধর্মের উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ কাম্য নয়। ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সবার অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…




