<
ভেনামি চিংড়ির দু’টি পরীক্ষামূলক চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন কনসালটেন্ট তপন বিশ্বাস। এবারও বটিয়াঘাটায় ভেনামি চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, নিয়ম মেনে ভেনামি চিংড়ি চাষ করা গেলে এটা অনেক বেশি উৎপাদন সম্ভব, খরচও অনেক কম। সরকার এটাকে অনুমোদন দেয়ায় এখন আমরা আরও বেশি করে পুকুরে ভেনামি চাষ করতে পারবো। এরজন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি গত দুইবারের থেকেও এবার বেশি সফল হবো।
ফাহিম সি ফুডের প্রতিনিধি মো. মিলন বলেন, সরকারকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের দাবি মেনে ভেনামি চাষের অনুমোদন দেয়ায়। আমরা আশা করি প্রান্তিক পর্যায়ে আমরা আরও বেশি চিংড়ি উৎপাদন করতে সক্ষম হবো।
খুলনা নর্থ ফুডের মালিক প্রফুল্ল কুমার রায় বলেন, দেশের বাইরে ভেনামি চিংড়ির চাহিদা প্রচুর। তবে আমরা সেই বাজার ধরতে পারছিলাম না। এবার অনুমোদন পাওয়ায় চিংড়ি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে। এটা আমাদের রফতানি বাজারকে আরও বড় করতে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেন বলেন, বাগদা ও গলদা চিংড়ি রফতানি করে আমরা অন্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে পড়ছিলাম। এখন খুলনা অঞ্চলে আমরা ব্যাপকভাবে ভেনামি চিংড়ি চাষ করতে পারবো। উৎপাদন বাড়লে আমাদের রফতানিও বাড়বে। আর তাতে ক্রমাগত নিন্মমুখী হওয়া চিংড়ির রফতানি বাজার আবারও চাঙা হয়ে উঠবে। এ জন্য তিনি সরকার এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।

ভেনামি উৎপাদনে চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়াসহ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা জানায় মৎস্য বিভাগ। খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল বলেন, সরকার ভেনামির পরীক্ষামূলক চাষের সফলতায় সন্তুষ্ট। এ কারণে বাণিজ্যিকভাবে চাষের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ভেনামির উৎপাদন বৃদ্ধিতে মৎস্য বিভাগ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে, মৎস্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকিও চলবে বলে জানান তিনি।
এদিকে ভেনামি চিংড়ি চাষের জন্য এখন পর্যন্ত ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। গত বছর খুলনা অঞ্চল থেকে চিংড়ি রফতানি হয় ১৫ হাজার মেট্রিক টন।
]]>



