চলতি বিশ্বকাপ যেন লিওনেল মেসির রেকর্ডের পসরা সাজিয়ে বসেছে। উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে শুরু, সবশেষ রাউন্ড অব বত্রিশ, প্রতিটি ম্যাচে মহাতারকা করেছেন গোল, গড়ছেন রেকর্ড। কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ বত্রিশে একটি গোল করেও গড়েছেন একাধিক রেকর্ড।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলটি করে বিশ্বকাপ নকআউট পর্বে ৬টি গোল ও ৬টি অ্যাসিস্টসহ মোট ১২টি গোলে সরাসরি অবদান রেখে মেসি প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে রেকর্ডধারী হয়েছেন। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে এবং ফরাসি তারকা কাইলিয়ান এমবাপেকে ছাড়িয়ে গেছেন। উভয়ই ১১টি করে গোলে অবদান রেখে দ্বিতীয় স্থানে এখন।
মেসি বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম, যিনি টুর্নামেন্টের প্রতিটি রাউন্ডে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন এদিন। গ্রুপপর্ব, রাউন্ড অব বত্রিশ, শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে গোল করে এক অভূতপূর্ব কীর্তি গড়েছেন।
আর্জেন্টাইন অধিনায়কের নৈপুণ্য এখানেই থেমে থাকেনি। বিশ্বকাপে দুই আসরে ৭টি করে গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়টিও এখন মেসি। ২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে করেছেন ৭টি করে গোল।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা গোল করার দীর্ঘতম রেকর্ডটিও মেসি দখলে রেখেছেন। টানা ৮ ম্যাচে গোল করে রেকর্ড এগিয়ে নিচ্ছেন।
আলজেরিয়া, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বসনিয়া, কেপ ভার্দে, ক্রোয়েশিয়া, ফ্রান্স, ইরান, জর্ডান, মেক্সিকো, নাইজেরিয়া, নেদারল্যান্ডস, সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রো, মোট ১৪টি দেশ। বিশ্বকাপে ১৪টি দেশের বিপক্ষে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় এখন মেসি।
২০টি গোল করে মেসি সর্বকালের বিশ্বকাপ সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাইলিয়ান এমবাপের চেয়ে দুটি গোল বেশি।
শুধু গোল করেই থেমে থাকেননি মেসি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডটিও এখন তার। ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে টপকে তার অ্যাসিস্ট এখন ৯টি। ৮টি নিয়ে দুইয়ে এখন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ম্যারাডোনা।





