মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গৃহীত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন-২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন-২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন ও বিধি মেনে চলা বাধ্যতামূলক। তবে এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলায় আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে।
এই অবস্থায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন-২০১৩ এর ১৩ ধারার ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। তদন্ত শেষে ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপরই তাদের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
লাইসেন্স বাতিল হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড, অরবিটাল এন্টারপ্রাইজ, শাহীন ট্রাভেলস, ইরভিং এন্টারপ্রাইজ, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেড, দ্য সুপার ইস্টার্ন লিমিটেড, মিডওয়ে ওভারসিজ লিমিটেড, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল, গ্যালাক্সি করপোরেশন, সুলতান ওভারসিজ, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল, জান্নাত ওভারসিজ, বিএম ট্রাভেলস লিমিটেড, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেড, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ইম্পেরিয়াল রিসোর্সেস লিমিটেড, পি.আর. ওভারসিজ লিমিটেড এবং এমইএফ গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেডসহ মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান।




