বিরতির পর দুই দলই গোলের ভালো সুযোগ তৈরি করে। ৪৮ মিনিটে ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে ব্রুনো গিমারাইসের হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন ন্যয়ার। বল ক্রসবারে লেগেও ফিরে আসে। পরের মিনিটে বায়ার্নের উপামেকানোর হেড দারুণভাবে ঠেকান রায়া।
৬১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে বায়ার্ন এগিয়ে যায় কেইনের গোলে। ইংলিশ অধিনায়কের শট ব্লক করতে গিয়ে হাতে বল লাগান আর্সেনালের ইয়ুরিয়েন টিম্বার। ভিএআরে যাচাইয়ের পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পটকিক থেকে রায়ার বিপরীত দিকে বল পাঠিয়ে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন কেইন।
তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি স্বাগতিকেরা। ৮২ মিনিটে ননি মাদুয়েকের সঙ্গে আক্রমণ গড়ে ভিক্টর ইয়োকেরেস বল বাড়ান ডেকলান রাইসকে। বক্সের ডান দিক থেকে নিচু শটে ন্যয়ারকে পরাস্ত করে আর্সেনালের হয়ে সমতা ফেরান ইংলিশ মিডফিল্ডার।
এই ড্রয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে তালিকার সপ্তম স্থানে আছে আর্সেনাল। ভাইকিংয়ের সঙ্গে ৩-৩ ড্র করা বায়ার্নের এটি টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারানো। তিন ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে ১৪তম স্থানে।




