কাউন্সিলর ফাহিম মির্জা আরও জানান, তাঁর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ১ হাজার ৭০০ ভোটারের মধ্যে ৩৮৬ জনের নাম বাদ পড়েছে। এই ৩৮৬ জনের মধ্যে ১০০ জনের বেশি নবাব পরিবারের সদস্য। বর্তমানে নবাবি দুর্গ এলাকা ও এর আশপাশে নবাব পরিবারের প্রায় তিন হাজার সদস্য বসবাস করেন, যাঁদের মধ্যে ভোটার সংখ্যা প্রায় দুই হাজার। চলমান সংশোধনী প্রক্রিয়ায় তাঁদের মধ্য থেকেই প্রায় ৩০০ জনের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আপত্তি জানাতে প্রশাসনিক স্তরে যোগাযোগ করার কথা রয়েছে রেজা আলী মির্জার।
ঐতিহাসিক পটভূমি অনুযায়ী, ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর মুর্শিদাবাদে মীর জাফরের বংশধরদের নবাবি শুরু হয়েছিল। বর্তমানে মুর্শিদাবাদের জাফরাগঞ্জে মীর জাফরের প্রাসাদের পাশেই তাঁদের পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। সেখানে মীর জাফর, তাঁর স্ত্রীসহ বংশধরদের প্রায় ১ হাজার ১০০টি কবর রয়েছে। তবে সেখানে সিরাজউদ্দৌলার হন্তারক হিসেবে পরিচিত মীর জাফরের পুত্র মিরণের কবর নেই। লোকমুখে প্রচলিত আছে, মিরণ পূর্ণিয়ায় ব্রিটিশদের সঙ্গে লড়াইয়ে অথবা বজ্রাঘাতে মারা যান।




