বিশ্বায়নের প্রভাবে এই তিন দেশের খাবার এখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দেশের জনপ্রিয় খাবারগুলো এখন বিভিন্ন দেশে সহজলভ্য। তবে যে দেশের খাবার, সেখানে বসে স্বাদ গ্রহণের নিশ্চয় কোনো তুলনা হয় না। কারণ, সেখানে থাকে স্থানীয় উপকরণ, পরিবেশ আর মানুষের আবেগ, যা অন্য কোথাও পুরোপুরি পুনরুৎপাদন করা সম্ভব নয়। ফলে রেসিপি হয়তো নকল হতে পারে, কিন্তু আবেগ ও ভালোবাসার আবেশ কখনোই নয়।
সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার খাবার একসঙ্গে একটি অসাধারণ বৈচিত্র্যের জন্ম দেয়। তাই বিশ্বকাপ উপভোগ করতে যাওয়া ভোজনরসিকদের জন্য এই তিন দেশ একসঙ্গে যেন বর্ণিল এক রন্ধন মানচিত্র। যার প্রান্তে ছড়িয়ে আছে স্বাদের নতুন কোনো গল্প।
তবে এই গল্প শুধু খাবারেরও নয়। এটি একই সঙ্গে একটি জনপদের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের গল্পও বলে। মানুষ হিসেবে তারা কেমন, সেই ইঙ্গিতও
মেলে এই খাবার থেকে। আর কিংবদন্তি আবদুর রাজ্জাকের কথা তো অনুপ্রেরণা হিসেবেই রইলই। যা আমাদের বলে, কোনো জনপদকে জানতে হলে, তারা কী খায়, তা জানা জরুরি। বিশ্বকাপের এই সফরে তাই খাবারও হয়ে উঠতে পারে মানুষ ও সংস্কৃতিকে জানার এক অনন্য পথ।
লেখক: সহসম্পাদক, প্রথম আলো




