
বাংলা সিনেমায় বহু ক্ষেত্রে প্রয়াত চিত্রনায়ক জসিমের অবদান আছে। ফাইটার থেকে ভিলেন, পরে নায়ক হয়ে অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা তিনি উপহার দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, আশির দশকে সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যগুলো জসিমের মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
তবে ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর তিনি প্রয়াত হয়েছিলেন। তাকে সম্মান জানিয়ে নিজের ‘স্নেহের বন্ধন’ সিনেমাটি উৎসর্গ করার কথা জানালেন নায়ক জয় চৌধুরী।
মঙ্গলবার বিকেলে এফডিসিতে সিনেমাটি আসন্ন দূর্গা পূজায় মুক্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। পরে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, অক্টোবরে জসিম ভাইকে হারিয়েছিলাম। চলচ্চিত্রে তার অবদান কম নয়। অ্যাকশনে বিজিএম তিনি চালু করেছিলেন। ১৬ অক্টোবর আমার ‘স্নেহের বন্ধন’ মুক্তি পাচ্ছে। তাকে অন্তর থেকে সম্মান জানিয়ে এই সিনেমাটি তাকে ‘উৎসর্গ’ করছি।
কামরুজ্জামান পরিচালিত ‘স্নেহের বন্ধন’ সিনেমায় জয় চৌধুরীর নায়িকা থাকছেন মৌ খান। কী আছে এই সিনেমায়, কেন দর্শক দেখবে ‘স্নেহের বন্ধন’, এই সিনেমাই বা কতটা সফল হতে পারবে? প্রশ্ন রাখলে উত্তরে জয় বলেন, যত বড় সিনেমাই আসুক না কেন ব্যবসা কেমন হবে, দর্শক কীভাবে গ্রহণ করবে, সেটা আগে থেকে কেউ বলতে পারে না।
‘ঈদ ছাড়া এখন সিনেমা রিলিজ দেওয়া অনেক বড় সাহসের ব্যাপার। এক্ষেত্রে আমার প্রযোজক সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। তাকে ধন্যবাদ।’ বলেন জয়।
জয় বলেন, ‘স্নেহের বন্ধন’ যদি পাঁচজন দর্শকও হলে গিয়ে দেখে, তাহলে ওই পাঁচজনই সন্তুষ্ট হয়ে হল থেকে বের হবেন। আমার ধারণা, যারা বাংলা সিনেমাকে ভালোবাসে এবং চলচ্চিত্রের খাঁটি দর্শক এমন একটি সত্য ঘটনা নিয়ে বানানো যে তারা সবাই পছন্দ করবেন। আর শাহরুখ খানের সিনেমারও হেটার্স আছে, সেখানে আমারও থাকবে খুব স্বাভাবিক। কারণ স্টার হলে তার হেটার্স থাকবেই। সেই আলোচনায় না যাই।’
সবশেষে জয় চৌধুরী বললেন, সিনেমা চলবে কি চলবে না সেটা পরের বিষয়, তবে যে প্রমোশন বাংলাদেশে আগে কখনও হয়নি আমরা সেই প্ল্যান করেছি। দর্শকদের সিনেমা হলে আনবো, বাকিটা মুক্তির পর দর্শক রায় দেবেন ‘স্নেহের বন্ধন’ কেমন হলো।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…




