রাজধানীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা | বাংলাদেশ

রাজধানীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা | বাংলাদেশ

<![CDATA[

রাজধানীর খিলগাঁও মেরাদিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ইমরান (২৮) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে মূল আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।

সোমবার (৮ মে) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইমরান। এর আগে শুক্রবার (০৫ মে) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

আরও পড়ুন: ১০ ঘণ্টা মেঘনায় ভেসে থাকা সেই জোহরা মারা গেছেন

খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী আশরাফুল তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ইমরান কুমিল্লার তিতাস উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত ফজলুল করিমের ছেলে। স্ত্রী ও দেড় বছরের মেয়েসহ খিলগাঁও মেরাদিয়া নয়াপাড়া দুতলা মসজিদের পাশে থাকতেন তিনি। ইমরান পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রী ছিলেন।

নিহতের বড় ভাই মো. হানিফ জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়ি শহীদকে পুলিশ আটক করে। তবে ওই রাতেই থানা থেকে ছাড়া পায় সে। এর পরদিন শুক্রবার সকালে ইমরানকে বাসায় এসে ডেকে নিয়ে যায়। তাকে ইমরানই পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়েছে সন্দেহে ওই এলাকার কবিরের রিকশা গ্যারেজে নিয়ে শহীদ ও তার ৪ সহযোগী মিলে ইমরানকে লোহার পাইপ গিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এক পর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে স্বজনরা কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে রোববার তাকে ঢাকা মেডিকেলের নিউরোসার্জারি বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

এসআই কাজী আশরাফুল জানান, গত শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মেরাদিয়া নয়াপাড়ায় কবিরের রিকশার গ্যারেজে শহীদ লোহার পাইপ দিয়ে ইমরানকে পিটিয়ে আহত করে। এরপর স্বজনরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

 

আরও পড়ুন: ঢাকা মেডিকেলে আগুন

এ ঘটনায় ইব্রাহীম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে মূল ঘাতক শহীদ এখনও পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে, ইমরানের মাথার বাম পাশে কাটা জখম, বাম কানে সেলাই করা, বাম হাতের কবজি থেকে আঙুল পর্যন্ত জখম, বাম পায়ের গোড়ালি ভাঙা রয়েছে।

]]>