রাজনীতি আটকে গেছে ডানপন্থী ফাঁদে, বাম ও লিবারেলরা কী করবে

রাজনীতি আটকে গেছে ডানপন্থী ফাঁদে, বাম ও লিবারেলরা কী করবে

চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর থেকে নারী, জাতিগত, ধর্মীয় ও লিঙ্গীয় সংখ্যালঘু, ভিন্নমতাবলম্বী, পীর-মাজারপন্থীসহ বিশাল একটি জনগোষ্ঠী আক্রান্ত হয়েছে। অভ্যুত্থানের সামনের কাতারে থাকা বাম, গণতান্ত্রিক ও লিবারেল মুখগুলোও অনলাইন-অফলাইনে সংঘবদ্ধ ‘হেট স্পিচ’ বা ঘৃণামূলক বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অতি ক্ষমতায়িত একটি গোষ্ঠী জোর করে নাগরিকদের বিভিন্ন অংশের চলাফেরা, ধর্ম পালনসহ নানা অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে। তবে বাস্তবতা হলো অন্তর্বর্তী সরকার বিবৃতি দেওয়া ছাড়া নাগরিকদের সুরক্ষায় তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ভোটের সমীকরণে এসব ঘটনায় কার্যত ‘নীরব’ ভূমিকা পালন করে।

সরকার গঠনের পর বিএনপির আট মাসেও বাউল ও মাজারপন্থীদের ওপর আক্রমণ বন্ধ হয়নি। গানের অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে হামলা ও বাধা দেওয়া ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বড় প্রতিক্রিয়া হলে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে। অন্যক্ষেত্রে নীরব থাকার নীতিতে চলছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে মব তৈরি করে গ্রেপ্তার করানোর মতো ঘটনাও দেখা যাচ্ছে। এ সব ঘটনায় প্রথাগত ভোটারগোষ্ঠীর বাইরেও যাঁরা এবার ডানপন্থী সরকার আসবে কিনা সেই শঙ্কায় বিএনপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের মধ্যে হতাশা দেখা যাচ্ছে।