একদিন টেনিস খেলার ফাঁকে রেশাককে জানালেন, মেসির বাবা দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবছেন। রেশাক বুঝলেন একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতেই হবে। একটা পেপার ন্যাপকিনে লিখলেন ‘এই ছেলেকে বার্সেলোনায় নেওয়া হলো’, দিলেন মিনহেলাকে। কে জানত, সেদিনের সেই তুচ্ছ পেপার ন্যাপকিন বদলে দেবে ফুটবল ইতিহাসকে!
বার্সেলোনার প্রথম বছরগুলো ছিল রূপকথার উল্টো পিঠ।
ভাষা অচেনা, বন্ধু নেই, মা-ভাইবোনেরা সমুদ্রের ওপারে। ২০০৭ সালে রেডিও দেল প্লাতাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি নিজেই বলেছিলেন সেই দিনগুলোর কথা—বাবা-ছেলে দুজনেই একা ঘরে গিয়ে কাঁদতেন, কিন্তু একে অপরকে বুঝতে দিতেন না।
দুজনেই ভান করতেন সব ঠিক আছে, অথচ ভেতরে–ভেতরে দুজনেই ভেঙে পড়তেন।
একদিন হোর্হে মেসি ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন—থাকতে চাও, নাকি ফিরে যেতে চাও দেশে? ছোট্ট লিও বলেছিলেন, থাকতে চান। আর বাবা থেকে গেলেন তাঁর পাশে। না হলে কি আজকের মেসির গল্প লেখা হতো? বলা কঠিন।




