লক্ষ্মীপুরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে সয়াবিনের আবাদ | বাণিজ্য

লক্ষ্মীপুরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে সয়াবিনের আবাদ | বাণিজ্য

<![CDATA[

দেশের সয়াবিনের ৮০ ভাগই উৎপাদন হয় লক্ষ্মীপুরে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সময়মতো বীজ বপনের কারণে জেলায় সয়াবিনের আবাদ ভালো হয়েছে। ফলে এবার জেলায় সয়াবিনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

শনিবার (০১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে সবুজের সমারোহ। ভালো ফলন এবং লাভের আশায় ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

 

উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন সয়াবিন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন জেলার চাষিরা। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো উন্নত জাতের বীজ রোপণ ও কীটনাশক ব্যবহার করতে পারায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

 

এক কৃষক বলেন, আমরা উন্নত জাতের সয়াবিন চাষ করছি। এবার আবহওয়াও ভালো। আশা করি লাভবান হবো।

 

এদিকে কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে উচ্চফলনশীল জাতের বারি-৫, বারি-৬ ও বীনা জাতের বীজ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের চর কাদিরা ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রফিক উল্যাহ মুরাদ।

 

আরও পড়ুন:  উন্নত মাছের পোনা পাচ্ছেন না সোনাগাজীর খামারিরা

 

তিনি বলেন, প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে নতুন নতুন জাত যেমন বারি-৫, বারি-৭ ও বীনা জাতের বীজ ‍কৃষকদের মধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ বছর আবহওয়াও অনুকূলে রয়েছে। আশা করি কৃষকরা লাভবান হবেন।

 

কৃষকরা লাভবান হওয়ায় জেলায় দিন দিন সয়াবিন চাষাবাদ বাড়ছে উল্লেখ করে লক্ষ্মীপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. রেজাউল করিম ভূঁঞা বলেন, ‘বর্তমানে কৃষকরা উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করছেন। সেই সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে কৃষকদের মধ্যে দিন দিন সয়াবিন চাষ জনপ্রিয়তা লাভ করছে।’

 

এ জেলায় দেশে উৎপাদিত সয়াবিনের ৮০ ভাগ উৎপাদন হয়। উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় সয়াবিন চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। তবে সরকারি প্রণোদনা আরও বাড়ানো গেলে এ অঞ্চলে সয়াবিন চাষাবাদে বিপ্লব ঘটবে বলে মনে করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

চলতি বছর জেলায় সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হলেও চাষাবাদ হয়েছে ৪১ হাজার ৬০০ হেক্টরে। যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার ৬০০ হেক্টর বেশি। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৮ হাজার মেট্রিক টন।

]]>