শিশুর যত্ন সবচেয়ে কম নেন বাবারা

গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনার সময় আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানী শেখ জামাল হোসেন বলেন, মায়ের পর এই বয়সী শিশুদের সবচেয়ে বেশি সেবা দেন দাদি–নানি। দাদি–নানির কাছ থেকে ৫৬.৭৯ শতাংশ শিশু সেবা পায়। ভাইবোনের কাছ থেকে পায় ১৬.০৫ শতাংশ শিশু। চাচির কাছ থেকে সেবা পায় ১০.২১ শতাংশ শিশু। অন্যদের কাছ থেকে সেবা পায় ৮.৫৩ শতাংশ। আবার বাবাদের কাছ থেকে সেবা পায় ৭.০৭ শতাংশ শিশু। গবেষকেরা এই উত্তর পেয়েছেন শিশুদের মায়েদের কাছ থেকে। শেখ জামাল হোসেন বলেন, ‘শিশুকে আদর–যত্ন বা সময় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাবাদের অবস্থান দেখে আমরা কিছুটা বিস্মিত হয়েছি।’

গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের কোনো একটা সময় শিশুর আশপাশে কেউ থাকেন না। শিশু অরক্ষিত অবস্থায় থাকে। এটি পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর একটি কারণ বলে গবেষকেরা মনে করেন।

শেখ জামাল হোসেন বলেন, গবেষণার শুরুতে এবং গবেষণার শেষে বিভিন্ন সূচকের তুলনায় দেখা গেছে, শিশুদের সার্বিক বিকাশে অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন মাপকাঠি ব্যবহার করে গবেষকেরা দেখেছেন, বুদ্ধি, ভাষা, আবেগ ও পেশি সঞ্চালন—এসব ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে।

গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনের পর অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ও আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক তাহমিদ আহমেদ বলেন, মিরপুরে আইসিডিডিআরবির এক গবেষণায় দেখা গেছে, অপুষ্টি শৈশবকালীন বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে। তিনি বলেন, ক্যাডমিয়াম, সিসা, মার্কারি ও আর্সেনিকের মতো ভারী ধাতু শিশুর বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।