পেটের সুস্থতা ধরে রাখার জন্য শুধু কী খাচ্ছি, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ নয়; কীভাবে খাচ্ছি, কখন খাচ্ছি এবং প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় কী ধরনের অভ্যাস অনুসরণ করছি এসবও গুরুত্বপূর্ণ।
খাওয়ার সময় ফোন দূরে রাখা, নিয়মিত পানি পান করা, শরীরের স্বাভাবিক সংকেত উপেক্ষা না করা, অপ্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার কমানো এবং ঘুমের আগে খাবার না খাওয়ার মতো ছোট পরিবর্তন দৈনন্দিন রুটিনকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।
তবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং, ব্যথানাশক ওষুধের ব্যবহার কিংবা দীর্ঘস্থায়ী হজমের সমস্যা নিয়ে ব্যক্তিভেদে পরামর্শ আলাদা হতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যসমস্যা থাকলে নিজের মতো সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
ছবি: এআই ও পেকজেলসডটকম




