জবাবে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, কলম্বো ও সিঙ্গাপুর মূলত ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর। সেখানে বড় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামিয়ে ছোট জাহাজে স্থানান্তর করা হয়, ফলে কাস্টমস পরীক্ষা বা ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর একটি ফিডার পোর্ট হওয়ায় এখানে কাস্টমস পরীক্ষা, ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এ কারণে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের তুলনায় টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম বেশি হয়।
রবিউল আলম জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ও রপ্তানিযোগ্য কনটেইনারের প্রায় শতভাগই বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন ও বন্দর ব্যবস্থাপনা উন্নত করার ফলে জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম ইতিমধ্যে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে।
নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের জুন থেকে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ফলে বন্দরে জাহাজের গড় অপেক্ষমাণ সময় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। অতীতে গভীর সমুদ্র এলাকায় জাহাজকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হলেও বর্তমানে কোনো জাহাজকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।




