এ বিষয়ে রেহেনা ফেরদৌসির স্বামী আবদুল ওহাব প্রধান জানান, ‘দেড় একর জমিতে বেশ ভালো আলু উঠেছে। আলু চাষাবাদে খরচ হয়েছে প্রায় ৯০ হাজার টাকা। পাইকারি বাজারদরে আলু বিক্রি করা যাবে তিন লাখ টাকা। কিছুদিন পর ভুট্টা তুলে ধান রোপণ করা যাবে।’
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহনুর আলম বলেন, ‘রেহেনা ফেরদৌসি কৃষি ও চাষাবাদের ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক। তাঁর এ সাথি ফসল চাষাবাদের ব্যাপারে অনেক কৃষক আগ্রহী।’
পাটগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল গাফ্ফার বলেন, ‘আলু ও ভুট্টার সাথি ফসল চাষ এটা বেশ ভালো উদ্যোগ। নারী হিসেবে তিনি একজন ভালো ও সফল উদ্যোক্তা।
সাথি ফসল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কৃষকদের সাথি ফসল চাষে উৎসাহিত করতে আমরা সব সময় মাঠে কাজ করছি। ইতিমধ্যেই আমরা বেশ কিছু প্রদর্শনীও দিয়েছি। যেমন মাল্টাবাগানে আমের চাষ, পটোলের মাচার নিচে আদা চাষ। তা ছাড়া সাথি ফসল হিসেবে বেগুন, লালশাক, মুলা, বাঁধাকপিও চাষ করছেন অনেক কৃষক। তাই এই সাথি ফসল পদ্ধতিতে সবাই চাষ করলে তা দেশের কৃষি খাতে বিপ্লব ঘটাবে এবং আধুনিক কৃষিকে সফলতার নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে। সরকারি নির্দেশনায় আমরা কৃষকদেরকে সব সময় পরামর্শ ও সেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।’



