সীমান্ত নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেই আলোচনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | চ্যানেল আই অনলাইন

সীমান্ত নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেই আলোচনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | চ্যানেল আই অনলাইন

সীমান্ত নিরাপত্তা, ঈদুল আজহার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ ১২ মে মঙ্গলবার ঈদকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক সভা শেষে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সম্পর্ক ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে এবং দুই দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতেই সরকার কাজ করবে। অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনের পর কোনো রাজনৈতিক দল বক্তব্য দিলে তা নিয়ে সরকারের কিছু বলার নেই।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কোরবানির পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারে সব হাটেই আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। চাঁদাবাজির তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

চাঁদাবাজির অভিযোগ জানাতে ১৬৬১৩ নম্বরে হটলাইনে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঈদের আগে ও পরে সাত দিন পুলিশ সদর দপ্তরে বিশেষ মনিটরিং সেল চালু থাকবে। রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১১টি পশুর হাট বসবে।

তিনি জানান, চামড়া সংগ্রহে লবন সরবরাহের জন্য ২০ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া ঈদের আগে সব গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হবে। এই বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সম্মতি দিয়েছে।

ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নোম্যান্স ল্যান্ড বজায় রেখে ভারত যদি সীমান্তে বেড়া দিতে চায়, তবে সেটি দুই দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনা হবে। আঞ্চলিক বা অঙ্গরাজ্য সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ সরকার মন্তব্য করবে না।

সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে যাতে পুশ ইন বা জোরপূর্বক অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব।