<
কৃষক ফজলুল হক বলেন, ‘শ্যালো বা বরেন্দ্র ডিপ টিউবঅয়েলের মাধ্যমে জমিতে সেচ নিতে গেলে নানা ভোগান্তি পোহাতে হতো। এরসঙ্গে ডিজেলের দাম বাড়া বড় ধরনের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সব সমস্যার সমাধান করে দেয় সোলার প্যানেল। এখন সেচ নিয়ে কোনো ভাবনা নেই।’
জহিরুল ইসলাম নামে আরেক কৃষক বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে শ্যালো মেশিনে সেচ নিতে চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা খরচ হতো। কিন্তু সোলারে সেই একই পরিমাণ জমিতে সেচ দিতে খরচ হচ্ছে তিন হাজার টাকা। এতে বাড়তি খরচের বদলে উল্টো সাশ্রয় হচ্ছে।’
আরও পড়ুন : ‘কালো সোনা’য় দিন বদলের স্বপ্ন, বিঘাপ্রতি লাভ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা
সেচের টাকা সাশ্রয় হওয়ার ফসলের বাড়তি যত্ন নেয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানান কৃষক জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, সেচ নিয়ে যেহেতু চিন্তা করতে হচ্ছে না বরং টাকা সাশ্রয় হচ্ছে; সেই টাকায় এখন সার, কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ধানের বাড়তি পরিচর্যা করা সম্ভব হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘একটি সোলার পাম্প দিয়ে ২৫-৩০ বিঘা জমিতে মৌসুমভর সেচ দেয়া সম্ভব। কিন্তু পাম্প বসানোর সময় করা খরচ ছাড়া এ পদ্ধতিতে সেচ দিতে তেমন খরচ নেই বললেই চলে। ফলে কৃষকদের লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, জেলায় বর্তমানে ১০৭টি সোলার প্যানেল পাম্প রয়েছে। এসব পাম্পের মাধ্যমে চার হাজার বিঘা জমিতে সেচের সুবিধা পাচ্ছেন কৃষকরা। পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখা এবং খরচ কমানোর মাধ্যমে লাভজনক চাষাবাদে সোলার প্যানেল প্রযুক্তি ব্যবহার করতে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
]]>


