দারুণ প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ৮০ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ম্যাচের শেষ ভাগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে আবেগে কেঁদেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি, বলেছেন বিশ্বাস ছিল দলের উপর।
ম্যাচের ১৫ মিনিটে ইয়াসির ইব্রাহিমের গোলে লিড পেয়েছিল মিশর, ৬৭ মিনিটে জিকোর গোলে ব্যবধান দিগুণ করে তারা। এরপরই ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা, ১৪ মিনিটে তিন গোলে জয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৭৯ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, ৮৪ মিনিটে লিওনেল মেসি এবং ৯০ মিনিটের পর যোগ করা সময়ে তৃতীয় মিনিটে এনজো ফের্নান্দেজ গোল করেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে জানান, কথা বলার অবস্থায় নেই স্কালোনি।
বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কোচ বলেছেন, ‘আমি মাথা তুলে তাকাতে পারছি না, দুঃখিত। এই মুহূর্তে আমি সত্যিই খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। কী দারুণ একদল খেলোয়াড়! আমার এখন যেতে হবে। আমি আর কী বলব। আমার সবসময়ই মনে হচ্ছিল খেলাটা আমাদের পক্ষেই ছিল। ফলাফলের ঊর্ধ্বে, আমার মনে হয় না দলটা খারাপ খেলছিল। আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম।’
‘কেপ ভার্দের বিপক্ষে অবস্থা আরও খারাপ ছিল, আমাদের সত্যিই বিপদে পড়তে দেখা গিয়েছিল। আজ, এমনকি যখন স্কোর ০-২ ছিল, তখনও মনে হচ্ছিল যেকোনো এক সময় আমরা একটা সুযোগ পাব এবং খেলাটা ঘুরিয়ে দিতে পারব। মিশরের বিপক্ষে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ফুটবল খেলেছি।’
‘আমি সবসময়ই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। কখনও কখনও চোখে জল চলে আসে। ড্রেসিংরুমেও চোখে জল এসেছিল। ছেলেরা আমাকে কাঁদুনে বলেও ডাকে, কিন্তু আমি পাত্তা দেই না। আমাদের মধ্যে যারা ২০ বছর ধরে ফুটবল খেলেছি, তাদের জন্য আজ আবার এই অনুভূতিটা পাওয়া অবিশ্বাস্য। আমার মনে হয়, বেশিরভাগ কোচ যারা ফুটবল খেলেছেন, তারা এই ধরনের দিনগুলোর কারণেই, এই আবেগ আর অ্যাড্রেনালিনের কারণেই কোচ হন।’




