স্বপ্ন তিন প্রকার। ভালো স্বপ্ন আল্লাহর কাছ থেকে সুসংবাদ। আরেক ধরনের স্বপ্ন আসে শয়তানের পক্ষ থেকে, তা দুর্ভাবনা তৈরি করে। মানুষ তার মনের সঙ্গে যে কথা বলে এবং সে যা চিন্তা–ভাবনা করে তা থেকে অন্য আরেক ধরনের স্বপ্ন উদ্ভূত।
দুঃস্বপ্নের প্রতিকার
দুঃস্বপ্ন দেখার পর কী করতে হবে সে সম্পর্কে মুসলিম শরিফে বর্ণনা করা হয়েছে। হজরত আবু কাতাদাহ্ (রা.) বলেছেন যে তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছেন, ‘সুস্বপ্ন আসে আল্লাহর কাছ থেকে, আর দুঃস্বপ্ন শয়তানের কাছ থেকে। অতএব তোমাদের কেউ যদি এমন কোনো বিষয় স্বপ্নে দেখে, যা সে পছন্দ করে না, তখন সে যেন তার বাঁপাশে তিনবার থুতু ফেলে এবং আউজুবিল্লাহসহ সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ে স্বপ্নের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চায়। এ রকম করলে সে তার খারাপ কিছু করতে পারবে না।’
কেউ দুঃস্বপ্ন স্বপ্ন দেখলে তিনি পাশ পরিবর্তন করে ঘুমাবেন। সম্ভব হলে নামাজ পড়বেন।
যে স্বপ্নই কেউ দেখুক না কেন, একেবারে কাছের ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে স্বপ্নের কথা বলা ঠিক নয়।

