<![CDATA[
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে যারা আইডিয়া শেয়ার করবেন তাদের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম।
স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্মার্ট ডিস্ট্রিক্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২৩ এর আওতায় বুধবার (১২ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে স্মার্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়তে বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের মতামত এবং প্রস্তাবনা নেয়া হবে। যারা আইডিয়া শেয়ার করবেন, তাদের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।
তিনি জানান, শিগগিরই স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার মাধ্যমে স্মার্ট নাগরিকদের কাছে আইডিয়া চাওয়া হবে।
আরও পড়ুন: স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট এগ্রিকালচারের কোনো বিকল্প নেই: কৃষিমন্ত্রী
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. জিয়াউল হকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই কর্মশালার প্রথম অধিবেশনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরের প্রধান, শিক্ষক, গণমাধ্যম ও এনজিওকর্মীরা অংশ নেন।
আরও পড়ুন: সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার শপথ জয়ের
কর্মশালা সঞ্চালনা করেন শুরুতেই স্মার্ট ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টের উপর একটি স্লাইড শো প্রদর্শন করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো মোশারফ হোসেন।
তিনি বলেন, সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় ১৯৪৭ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ লাখ দলিল রয়েছে। এসব দলিল স্ক্যান করে ডাটাবেজ তৈরি করা হলে ভোগান্তি কমবে। পাশাপাশি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নকশাকে সংরক্ষণ করে ই-নকশায় রূপান্তর করে ডাটাবেজ তৈরি করা হলে দলিল নিয়ে সমস্যা থাকবে না বলেও জানান তিনি।
]]>


