হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় যবিপ্রবি থেকে দুই ছাত্র সাময়িক বহিষ্কার | বাংলাদেশ

হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায়
যবিপ্রবি থেকে দুই ছাত্র সাময়িক বহিষ্কার | বাংলাদেশ

<![CDATA[

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল হোসেনকে ‘শারীরিকভাবে নির্যাতন ও হলের শৃঙ্খলা ভঙ্গে’র দায়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শোয়েব আলী ও সালমান এম রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে দুপুরে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এনএফটি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল হোসেন।

আরও পড়ুন: যবিপ্রবির হলে আটকে নির্যাতনে ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন ইতোমধ্যে শহীদ মসিয়ূর রহমানের হলের প্রভোস্টকে অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের এবং আক্রান্ত শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শহীদ মসিয়ূর রহমান হল কর্তৃপক্ষও সহকারী প্রভোস্ট তরুণ সেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।

একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বডিকে একটি তদন্ত কমিটি করে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততার অভিযোগ

রোববার (২ এপ্রিল) রাতেই শহীদ মসিয়ূর রহমান হল কর্তৃপক্ষ মো. ইসমাইল হোসেনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও হলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শোয়েব আলী ও সালমান এম রহমানকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

সালমান এম রহমান ও মো. শোয়েব রোববার দুপুর ২টার দিকে ইসমাইলকে ডেকে শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের ৫২৮নং রুমে নিয়ে যান। এরপর ২টা থেকে ইফতারের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত স্টাম্প দিয়ে দফায় দফায় তাকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে যবিপ্রবির হল প্রশাসন আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহায়তায় উদ্ধারের পর যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে। মধ্যরাতে যবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, প্রভোস্ট, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতারা সাংবাদিক সমিতির নেতাদের নিয়ে আক্রান্ত শিক্ষার্থীর শারীরিক খোঁজ-খবর নেয়ার জন্য হাসপাতালে ছুটে যান। বর্তমানে মো. ইসমাইল হোসেনের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।
 

]]>