১৭ ঘণ্টায় ঢাকার পৃথক তিন স্থানে আগুন

১৭ ঘণ্টায় ঢাকার পৃথক তিন স্থানে আগুন

ভবনে অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল কি না, জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম বলেন, সেখানে ফায়ার এক্সটিংগুইশার ছিল। সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, তার প্রমাণ পেয়েছেন। তবে অন্যান্য ব্যবস্থা ছিল কি না, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছেন না। ভবনের জরুরি নির্গমন পথ কেমন ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, জরুরি নির্গমন সিঁড়ি পর্যাপ্ত ছিল না বলে তাঁদের মনে হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর পাঁচতলা থেকে নিচের তলার লোকজন দ্রুত নেমে আসেন। আর ওপরের তলাগুলোর বাসিন্দারা ছাদে চলে যান। নয়তলা ভবনের পাঁচতলা পর্যন্ত ছিল ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ওপরের বাকি তলাগুলো ছিল আবাসিক।

সিরাজুল ইসলাম নামের ভবনের নিচতলার একটি দোকানের কর্মী জানান, ইফতারের পরপর তাঁরা পোড়া গন্ধ পান। তখন চার-পাঁচজন মিলে নিচতলা থেকে আগুনের উৎস খুঁজতে খুঁজতে ওপরের দিকে ওঠেন। পাঁচতলায় গিয়ে দেখেন একটি দোকান দাউ দাউ করে জ্বলছে। তখন তাঁরা নিচে নেমে আসেন। একজন বৃদ্ধ লোককে পেয়ে নিরাপদে তাঁকে নামিয়ে আনেন।

ওই ভবনের দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, পাঁচতলায় একটি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে আগুন লেগেছিল। পরে তা পাশের কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।