
ছবি: সংগৃহীত
গত তিন বছরে দেশে অন্তত ৪০২টি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
বিজিএমইএর গত ২২ জুনের প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে ২৮২টি বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সদস্য এবং ১২০টি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য ছিল।
মন্ত্রী জানান, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এসব কারখানা বন্ধ হয়েছে। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন কারণে পোশাক কারখানাগুলো সংকটে পড়ে।
এ ছাড়া অর্থপাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং বিদেশি ক্রেতাদের রপ্তানি আদেশ দিতে অনাগ্রহকেও কারখানা বন্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
পোশাক খাতের উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন সহায়তা দিচ্ছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রপ্তানিমুখী অভ্যন্তরীণ বস্ত্র খাতে কাস্টমস বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে দেড় শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইউরোজোনে বস্ত্র রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান দেড় শতাংশের পাশাপাশি আরও দশমিক ৫০ শতাংশ বিশেষ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া রপ্তানিমুখী নিট, ওভেন ও সোয়েটার খাতের আওতাভুক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত ৩ শতাংশ সুবিধা এবং পোশাক খাতে দশমিক ৩০ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে সংসদে জানান তিনি।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…

