
ছবি: সংগৃহীত
আইটি কনসালট্যান্টসের (আইটিসি) নেটওয়ার্কভিত্তিক পেমেন্ট সুইচ ‘কিউ-ক্যাশ’–এর সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গ্রাহকেরা ডিজিটাল লেনদেনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সে জন্য গ্রাহকদের স্বার্থ ও আর্থিক লেনদেনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আজ মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে আইটি কনসালট্যান্টস (আইটিসি) পরিচালিত কিউ–ক্যাশ নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম মাইগ্রেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে কয়েকটি ব্যাংকের কার্ড, এটিএম ও এনপিএসবি সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল লেনদেন সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। এতে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ইতিমধ্যে কিউ–ক্যাশের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে তলব করা হয়েছে। শিগগিরই সুইচিং কার্ড–সংশ্লিষ্ট সব সেবা আবার চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ আরও বলেছে, এনপিএসবি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক, মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) এবং অন্যান্য পেমেন্ট সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক লেনদেন অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম দেশের সব পরিশোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জানা যায়, গত রোববার রাত ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই রক্ষণাবেক্ষণের কাজ ১০ অক্টোবর দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে। এ জন্য কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত কমপক্ষে ৩০টি ব্যাংকের কার্ডভিত্তিক লেনদেনসহ ডিজিটাল পরিষেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। কোনো কোনো ব্যাংকের কার্ডভিত্তিক লেনদেন সেবা বন্ধও হয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের ৩০টি ব্যাংক কিউ–ক্যাশের সুইচ ব্যবহার করে এটিএম সেবা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে যেসব ব্যাংকের কিউ–ক্যাশের পাশাপাশি নিজস্ব সুইচ–ব্যবস্থা রয়েছে তারা বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কার্ডভিত্তিক লেনদেনসেবা চালিয়ে নিতে পারছে। যাদের নিজস্ব সুইচ–ব্যবস্থা বা বিকল্প ব্যবস্থা নেই, তাদের এটিএমসহ কার্ডভিত্তিক সব ধরনের লেনদেন সেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে এসব ব্যাংকের কার্ডধারীদের কেউ এটিএম থেকে যেমন টাকা তুলতে পারছেন না, তেমনি টাকা স্থানান্তর, ই–কমার্স লেনদেন, বিদেশে লেনদেনসহ কোনো সেবা পাচ্ছেন না। এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও কার্ডে ব্যাংক থেকে বেতনের টাকা তুলতে পারছেন না।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…




