৩ ঘণ্টায়, ৪ নারীর গল্পের ‘প্রেশার কুকার’ কতটা জমল

৩ ঘণ্টায়, ৪ নারীর গল্পের ‘প্রেশার কুকার’ কতটা জমল

এ সিনেমার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব, প্রায় তিন ঘণ্টার এ সিনেমায় রাফী একটা মুহূর্তও একঘেয়ে লাগতে দেননি। কিছু ক্ষেত্রে ২-১টি ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে মনে হয়। নির্মাতা চাইলেই কিছু জায়গার দৈর্ঘ্য আরেকটু কমাতে পারতেন।

আবহ সংগীত নিয়ে আলাদা করে বলা দরকার। শহরের দমবন্ধ পরিবেশ, নারীদের লড়াই, অনিশ্চয়তা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন রুসলান রেহমান। বিভিন্ন সময়ে কেবল নারী কণ্ঠে হামিং ছিল, সেটাও শুনতে দারুণ লেগেছে। সিনেমার অনেকই দৃশ্যেই সংলাপ নেই, কোথাও আছে কেবল ছুটে চলা। কিন্তু সবই সিনেমার সঙ্গে মানানসই আবহে তুলে এনেছেন তিনি।

‘প্রেশার কুকার’–এ গানের ব্যবহারও দারুণ। গানের কথা, গায়কিতেও সিনেমার থিম বজায় রাখা হয়েছে। অংকন কুমারের কণ্ঠে ‘বড়াই করে’ আর মিঠুন চক্রর কণ্ঠে ‘ক্ষয়ে ক্ষয়ে’ শুনতে শুনতে পর্দার হাহাকারের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে হয়। দুটিই নিচু স্বরের গান, পর্দার গল্পের সঙ্গে গানগুলো যেন আবহ সংগীতের মতো বাজতে থাকে। সিনেমাজুড়ে পরিস্থিতি বুঝে র‍্যাপ গান ‘টুনটুনি’র ব্যবহারও ভালো ছিল। ‘টুনটুনি’ গানটি গেয়েছেন পল্লব ভাই ও তানভীর আহমেদ।