পুলিশ জানায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিকল্পিতভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যা করা হয় সুমন মিয়াকে। পরে অষ্টধার সেনপাড়া এলাকার রেললাইনের পাশে ধানখেতের সেচের নালার ওপর ফেলে রেখে যায়। পরদিন পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। প্রযুক্তির সহায়তায় তিন তরুণকে রোববার রাত ও সোমবার গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার আসামিরা ও হত্যার শিকার ব্যক্তি একই গ্রামের বাসিন্দা এবং মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত।
ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে মাদকের টাকাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে নিহত ব্যক্তির সঙ্গে আসামি সজীব আলীর হাতাহাতি হয়। ওই বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ঘটনার দিন সুমন মিয়াকে মুঠোফোনে ডেকে ঘটনাস্থলে আনা হয়। সেখানে গাঁজা সেবনের এক পর্যায়ে আবার টাকার বিষয় নিয়ে কথা–কাটাকাটি শুরু হলে আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে কপাল, থুতনি, গলা, ঘাড়, বুক, তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাঁকে হত্যা করেন। গ্রেপ্তার আসামিদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি এবং নিহত ব্যক্তির ব্যবহৃত মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।




