কঠোর হামলার হুমকি, অনড় ইরান

কঠোর হামলার হুমকি, অনড় ইরান

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েল ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর স্থাপনা লক্ষ্য করে গতকাল ২৬তম ধাপে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। গতকালের হামলায় হাইপারসনিক ‘ফাতাহ’ও ব্যালিস্টিক ‘ইমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর মধ্য ইসরায়েল, তেল আবিব ও জেরুজালেমে বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন সেখানকার সাংবাদিকেরা।

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি, শায়বাহ তেলক্ষেত্র ও রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া কয়েকটি ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রাতে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়ে বলে মন্ত্রণালয় জানায়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে গতকাল ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২১টি ড্রোন ছোড়া হয় বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এদিকে আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ইরানের হামলার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ। তিনি বলেছেন, ‘জাতি এখন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে। আমাদের ধৈর্যের সীমা আছে। আমরা সহজ শিকার নই। অচিরেই আমাদের শক্তিমত্তা দেখা যাবে।’

চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নিজেদের নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ২৮ হাজার নাগরিক নিরাপদে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদেরও সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।