তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও মূলত দুর্ঘটনার পর থেকে আমরা তদন্তকাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি, যথাসময়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এখানে প্রত্যক্ষদর্শীসহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ফেরি ব্যবস্থাপনাসহ আধুনিকায়নে যে যে বিষয় আছে, আমরা সেসব বিষয়ও পর্যবেক্ষণ করছি।’
দুর্ঘটনাকবলিত বাসে কতজন যাত্রী ছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কমিটির সদস্যসচিব গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস বলেন, বাসের আসন অনুযায়ী ৪০ জন যাত্রীসহ চালক ও সহকারী ছিলেন। স্থানীয়ভাবে আরও কয়েকজন উঠেছেন। নির্দিষ্ট কতজন ছিলেন, এ বিষয়ে সঠিক পরিসংখ্যান নেই। ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাসটি ঘাটে আসার পর কয়েকজন যাত্রী নেমে যান, আবার কয়েকজনকে নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।




