বিচারপতি বাগচী আরও বলেন, নির্বাচনে জয়ের ব্যবধান বাদ যাওয়া ভোটারদের সংখ্যার চেয়ে কম হলে তা উদ্বেগের বিষয় হতে পারে। তিনি বলেন, ‘প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের অন্যায্য অস্বীকৃতি একটি নির্বাচন বাতিলের ভিত্তি হতে পারে। কিন্তু ভোট দেওয়ার অধিকারের ক্ষেত্রে, যতক্ষণ পর্যন্ত না এটি বিশালসংখ্যক ভোটারের বিষয় হচ্ছে…(ততক্ষণ তা) নির্বাচন বাতিলের অন্যতম কারণ হিসেবে গণ্য হয় না।
বিচারপতি বলেন, ১০ শতাংশ ভোটার ভোট না দিলে এবং জয়ের ব্যবধান ১০ শতাংশের বেশি হলে তবে কী করা হবে? ধরা যাক, ব্যবধান ২ শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ ভোটার যাঁরা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, কিন্তু ভোট দিতে পারেননি, তবে হয়তো…আমরা কোনো মতামত দিচ্ছি না। কিন্তু আমাদের অবশ্যই এটি খতিয়ে দেখতে হবে। মনে রাখবেন, একজন সচেতন ভোটার যার নাম তালিকায় সঠিকভাবে বা ভুলবশত নেই, আমাদের উদ্বেগ শুধু তাদের নিয়ে নয়।’
আবেদনকারীরা অনুরোধ করেছিলেন, ভোটার তালিকা স্থগিত বা বন্ধ করার তারিখটি যেন বৃদ্ধি করা হয়, যাতে তাঁদের আপিল মঞ্জুর হলে তাঁরা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন। ভোটার তালিকা ৯ এপ্রিল বন্ধ করা হয়েছে, এটিকে এখন আর খোলা হবে না।
আবেদনকারীরা জোর দিয়ে বলেছেন, তাঁরা ২০০২ সালের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র আধার কার্ড ও পাসপোর্ট রয়েছে। আবেদনকারীদের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রউফ রহিম আবেদন দাখিল করেন। আইনজীবী বলছেন, নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহ না করে আপিল ট্রাইব্যুনালকে সহযোগিতা করছে না।




