এফডিসির ৩ ও ৪ নং ফ্লোর ভেঙে বহুতল বিশিষ্ট ভবন উঠছে। ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য সেই ভবন ‘কোনো কাজে আসবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন।
রাজধানীর তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘আমাদের চলচ্চিত্র-আজকের প্রেক্ষাপট’ আলোচনা ও সেমিনারে শাহীন সুমন এমন মন্তব্য করে বলেন, চলচ্চিত্রের প্রয়োজনে ১২০০ কোটি টাকা খরচ করতে চাইলে করেন, কিন্তু যদি লুটপাটের প্রয়োজন খরচ করেন তাহলে এইটা বন্ধ করেন।
সন্তান আমার অহংকার, বাঁধা, খোদার পরে মা, জন্ম তোমার জন্য, লাভ ম্যারেজসহ অসংখ্য সুপারহিট সিনেমার নির্মাতা শাহীন সমন আরও বলেন, আমাদের ফ্লোর ভেঙে যে বিশাল বিল্ডিং করা হচ্ছে এক টাকার কাজেও আসবে না। আমি চ্যালেঞ্জ করেই এটা বলতে পারি। কারও ক্ষমতা থাকলে আমার এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেন। সামনে দিয়ে গেছে এলিভেটেড রাস্তা। মার্কেট করলেও দেখা যায়না, যাওয়ার ব্যবস্থা নেই।
শাহীন সুমনের মন্তব্য, অপরিকল্পিতভাবে এখানে ৪০০-৫০০ কোটি খরচ করা হয়েছে। এসব বন্ধ করতে হবে।
সরকারী অনুদানের প্রসঙ্গ তুলে পরিচালক সমিতির সভাপতি বলেন, যারা বাণিজ্যিক ছবি বানায় তাদের পিছনে টাকা খরচ করেন। সবার দাবির সঙ্গে আমিও একমত। প্রয়োজনে সেন্ট্রাল সার্ভার, ই-টিকেটিং সিস্টেম চালু করেন। সবকিছু এফডিসি থেকে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করেন।
”যদি এই উদ্যোগ নেয়া হয়, অসংখ্য প্রযোজক বসে আছেন যারা সিনেমা বানাবেন। তাছাড়া সিনেমা হল সংস্কারের জন্য যে হাজার কোটি টাকা ঋণের ঘোষণা দেয়া, এটা নাম কাওয়াস্তে ঘোষণা। নিতে গেলে বাংলাদেশের ব্যাংকের বিভিন্ন জটিলতায় পড়ে কেউ এই টাকা নিতে পারেনা।”
সেমিনারে প্রিয়তমা, রাজকুমারের মতো আলোচিত সিনেমার পরিচালক হিমেল আশরাফ বলেন, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার স্বচ্ছতা রাখা জরুরী। আগে আওয়ামী লীগ যারা করতো তারা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে, এখন যারা বিএনপি করে তারা অ্যাওয়ার্ড পাবে। এই চক্র থেকে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, ভিএফএক্স, কালারের কাজে আমাদের ইন্ডিয়া থেকে হয়। এফডিসি থেকে এমন উদ্যোগ নেয়া হোক যাদের আমাদের বাইরে যেতে না হয়। তাছাড়া আমাদের সিনিয়র শিল্পী যারা সুপারস্টার ছিলেন তাদের সিনেমায় নিতে চাইলে কাজ করেন না। তাদেরও ফিরে আসতে হবে।






