স্কারাৎসাতো বলেন, ইউরোপে ব্যাপক হারে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে দুটি বিষয় কাজ করেছে। একটি ইউক্রেন যুদ্ধ, অন্যটি ইউরোপের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ কমে আসা। ওয়াশিংটন এখন ইউরোপকে নিজের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিজে নিতে চাপ দিচ্ছে।
বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সামরিক ব্যয়কারী জার্মানি। ২০২৫ সালে দেশটি এ খাতে ব্যয় করেছে ১১ হাজার ৪০০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৪ শতাংশ বেশি। স্পেনেও ১ বছরে ৫০ শতাংশ বেড়ে সামরিক ব্যয় পৌঁছেছে ৪ হাজার ২০ কোটি ডলারে। ১৯৯৪ সালের পর দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেট প্রথমবার জিডিপির ২ শতাংশ ছাড়াল।
চলমান যুদ্ধের প্রভাবে রাশিয়া ও ইউক্রেন উল্লেখযোগ্য হারে সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছে। সরকারি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ এখন যাচ্ছে প্রতিরক্ষা খাতে।
রাশিয়ার সামরিক ব্যয় ৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার কোটি ডলারে, যা দেশটির জিডিপির ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। ইউক্রেন সামরিক ব্যয় আগের বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৮ হাজার ৪১০ কোটি ডলারে উন্নীত করেছে, যা দেশটির মোট জিডিপির ৪০ শতাংশ।




