‘ফিউচার স্টারস’ নামে ফিরল বল বয় সংস্কৃতি | চ্যানেল আই অনলাইন

‘ফিউচার স্টারস’ নামে ফিরল বল বয় সংস্কৃতি | চ্যানেল আই অনলাইন

চট্টগ্রাম থেকে: ২০০৪-০৫ সালের পর বল বয় সংস্কৃতি প্রায় হারাতে বসেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট। সময়টাতে গ্রাউন্ডসম্যানরাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বল বয়দের কাজটা করে এসেছেন। পাশাপাশি ফিল্ডাররাও বল কুড়িয়ে নিতেন। প্রায় ১১ বছর পর পুরনো সেই সংস্কৃতিতে ফিরল তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে ফিউচার স্টারস নামে।

সোমবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে দেখা গেল এক ঝাঁক বল বয়কে। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের একান্ত ইচ্ছাতে ফিরেছে এ সংস্কৃতি। বল বয়দের নাম বদলে ‘ফিউচার স্টারস’ আখ্যা দেয়া হয়েছে।

ম্যাচ শুরুর পর বল বয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম। লিখেছেন, ‘বল বয় শব্দটা ব্যক্তিগতভাবে কখনোই খুব একটা ভালো লাগত না আমার। ওরাই আমাদের ভবিষ্যৎ, তাই আমি ওদেরকে বলতে চাই ফিউচার স্টারস। আশা করি, এই খুদে ক্রিকেটাররা ওদের প্রিয় ক্রিকেটারদের কাছ থেকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে, ওদের স্বপ্নের সীমানা বড় হবে এবং একদিন বাংলাদেশের হয়ে খেলবে। আমিও একসময় ওদের মতোই ছিলাম, আমিও ছিলাম একজন বল বয়।’

বল বয় বা ফিউচার স্টারসদের জন্য মাঠের ভেতরে কেবল থাকার সুযোগই মিলছে না। খুদে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্যের দিকেও বিশেষ নজর দিয়েছে বিসিবি। রোদ-গরমের ধকল সামলে তারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সেজন্য জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ড ‘এ’ দল বাংলাদেশ সফরে এলে চট্টগ্রামে একটি তিন দিনের ম্যাচে বল বয়ের দায়িত্বে ছিলেন তামিম। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনেক বড় বড় তারকার বেড়ে ওঠা বল বয় থেকে। তামিমের পাশাপাশি মোহাম্মদ আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফিসসহ অনেকেই একসময় বল বয় ছিলেন। প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে ১৯৯৭ সালের স্বাধীনতা কাপ, ১৯৯৮ সালের মিনি বিশ্বকাপ, ১৯৯৮-৯৯ এশিয়া কাপ, সবখানে তাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।