শিশুটির স্বজনদের দাবি, অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগে চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই তাসনিয়ার মৃত্যু হয়েছে। তার খালু আতিয়ার রহমান বলেন, চিকিৎসকদের অবহেলা ও সঠিকভাবে চিকিৎসা না দেওয়ায় একটি শিশুকে মেরে ফেলা হয়েছে। এর কঠিন বিচার হতে হবে।
অবেদনবিদ তাহেরুল আল আমীন সাংবাদিকদের বলেন, ছয় বছরের শিশু তাসনিয়ার শারীরিক সব পরীক্ষা–নিরীক্ষায় সব ঠিক ছিল। জেনারেল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর সে মৃত্যুবরণ করে। হয়তো হার্ট অ্যাটাকের কারণে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা হোসেন ইমাম বলেন, অপারেশনের আগে মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের অ্যানেসথেসিয়া বা সঠিকভাবে প্রয়োগের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
একতা প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শিশুটিকে অজ্ঞান (অচেতন করা) করানোর পরপরই তার মৃত্যু হয়। অ্যানেসথেসিস্ট বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানে এসে কাজ করেন। অ্যানেসথেসিয়া কীভাবে প্রয়োগ হয়েছে বা কতটুকু প্রয়োগ হয়েছে, সেটা চিকিৎসকই ভালো বলতে পারবেন। রাতেই তাঁদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে গেছে। বিক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছে।




