টার্নার আরও বলেন, মে মাসে স্থানীয় নির্বাচনের পর লেবার পার্টি এই সংকটাপন্ন নেতাকে ‘সরিয়ে দিতে পারে’।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, টার্নারের এসব মন্তব্য ‘একান্ত ও অনানুষ্ঠানিক’ ছিল, যা প্রকাশের উদ্দেশ্যে বলা হয়নি। তিনি আরও বলেন, এগুলো যুক্তরাজ্য সরকারের অবস্থানের কোনো প্রতিফলন নয়।
তবে বিশেষ সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করলেও টার্নার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক এখনো দৃঢ়।
টার্নার বলেন, ‘আমাদের মধ্যে গভীর ইতিহাস ও পারস্পরিক টান রয়েছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমরা একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।’
যুক্তরাষ্ট্র সফররত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস গত সোমবার ওয়াশিংটনে টার্নারের সরকারি বাসভবনে একটি গার্ডেন পার্টিতে অংশ নেন।
তবে রাষ্ট্রদূত মনে করেন, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় প্রতিবেশীদের এ সম্পর্ক, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতের সম্পর্ককে নতুন করে ‘সংজ্ঞায়িত করা’ প্রয়োজন।




