এসব বিষয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের বক্তব্য জানতে গতকাল বুধবার প্রথম আলোর পক্ষ থেকে লিখিতভাবে প্রশ্ন পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারীকে। উত্তরে তিনি মৌখিকভাবে বসুন্ধরা গ্রুপের বক্তব্য জানান। তিনি বলেন, গ্রুপের কর্তৃপক্ষ সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়টি সম্পর্কে জানে। তারা এ সিদ্ধান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। তা শেষ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অবস্থান জানানো হবে।
কাঠাপ্রতি টাকা নেওয়ার বিষয়ে বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ বলেছে, রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট, সড়কবাতি, বৃক্ষরোপণসহ অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্লটের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজের জন্য কিছু টাকা নেওয়া হয়। তবে সেটা এত বেশি নয়।
বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ আরও বলছে, বিষয়টি নিয়ে মালিকদের সংগঠন বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সময় চাওয়া হয়েছে।
বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষের দাবি, এর আগে রাজউকের সঙ্গে বসুন্ধরার একটি সমঝোতা চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী উন্নয়নকাজ শেষে ২০৩৪ সালে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাটি কোনো জনহিতকর প্রতিষ্ঠান, রাজউক অথবা আইনে যেভাবে বলা হয়েছে, সেভাবে হস্তান্তর করা হবে।
বসুন্ধরার এই দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার জানামতে এ ধরনের কোনো চুক্তি রাজউকের সঙ্গে হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। কারণ, এটা সিটি করপোরেশনের বিষয়। আমরা তাদের (বসুন্ধরা) চিঠি দিয়েছি যে তোমরা এটা বুঝিয়ে দাও সিটি করপোরেশনের কাছে। আমরা দুবার তাদের চিঠি দিয়েছি।’




