কবরস্থান ভেঙে সামরিক ঘাঁটি
স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ইসরায়েল যেসব সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে, সেগুলো অস্থায়ী কোনো পর্যবেক্ষণ চৌকি নয়, বরং টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অবকাঠামো নির্মাণের একটি পদক্ষেপ।
কৌশলগতভাবে গাজায় বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে নতুন সামরিক ঘাঁটিগুলো তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি উত্তর গাজায়, দুটি মধ্যাঞ্চলে, একটি নেৎজারিম করিডরের পূর্বে ও তিনটি দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে।
গাজার ভূখণ্ড দখলের সবচেয়ে নির্মম উদাহরণ দেখা গেছে খান ইউনিসে। সেখানকার একটি কবরস্থান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে এটির ওপর নতুন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে এ কবরস্থানে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালের ১৮ মে–র মধ্যে দেখা যায়, কবরস্থানটিতে একই রকম দেখতে কয়েকটি স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে। স্থাপনাগুলোতে সামরিক যানবাহন রাখা। স্থাপনাগুলো সেনা আবাসন ও বৈঠকের জন্য ব্যবহৃত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তর গাজার বেইত লাহিয়াতেও একই ধরনের দ্রুত সামরিকীকরণের চিত্র দেখা গেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে তোলা কিছু ছবিতে এলাকাটি সম্পূর্ণ খালি দেখা গেলেও নভেম্বরের মাঝামাঝি সেখানে অবকাঠামোর নির্মাণকাজ শুরু হতে দেখা যায়। গত মে মাসে সেখানে পূর্ণাঙ্গ সামরিক স্থাপনা ও বিভিন্ন ভবন গড়ে উঠতে দেখা গেছে।




