আজ বিশ্ব এলপিজি দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য, ‘এলপিজি: পাস ইট ফরওয়ার্ড’ বা ‘সামনে এগিয়ে দাও’। আগামী প্রজন্মের কাছে পরিবেশবান্ধব এই জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। তবে এটি করতে হলে এলপিজির সামগ্রিক খরচ কমাতে হবে।
কম দামে পণ্যটি দিতে আগামী বাজেটে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াব। তারা বলছে, সিলিন্ডার উৎপাদনের পর বটলিং প্ল্যান্টে নিলে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হয়। এতে একই পণ্যে দুবার শুল্ক দিতে হচ্ছে। উৎপাদন পর্যায়ে শুল্ক অব্যাহতি এবং সিলিন্ডারের কাঁচামালে সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর কমানোর দাবি করেছে তারা।
দেশে ২০১৫ সালে আবাসিকে নতুন গ্যাস–সংযোগ বন্ধ করার পর এলপিজির বাজার বাড়ে। লোয়াব জানায়, ২০১৬ সালে আগের বছরের তুলনায় এই খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০০ শতাংশ আর ২০১৭ সালে তা দাঁড়িয়েছিল ১২৩ শতাংশে। ওই সময় বিশ্ববাজারে কম দাম এবং বেশ কিছু কোম্পানি প্রতিযোগিতার বাজারে আসায় সিলিন্ডার গ্যাস সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে এসেছিল। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে যেখানে সাড়ে ৫ লাখ টন এলপিজি সরবরাহ করা হয়েছিল, ২০২১-২২ অর্থবছরে তা পৌঁছে যায় প্রায় ১৫ লাখ টনে।




