
ঢাকা, ১১ জুন – ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে প্রণীত এই জনবান্ধব ও ভিশনারি বাজেটের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দীর্ঘ সময় পর একটি বাজেট পেশ করেছে যেখানে সকল শ্রেণি-পেশা ও ধর্ম-বর্ণের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাজেট পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় মাহদী আমিন এসব তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তাসহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে যাতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব হয়।
অতীতে বাজেট ঘোষণার পর পণ্যমূল্য বাড়ার যে প্রবণতা ছিল, এই জনবান্ধব বাজেটের মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সমতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সার, বীজ ও সেচ সুবিধা সুলভ করার কথা উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন যে এবারের বাজেটে দেশের তারুণ্য ও নারীর ক্ষমতায়নকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং ও স্টার্টআপের মতো প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায় সহায়তার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বন্ধ করে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে এই বাজেট বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এনএন/ ১১ জুন ২০২৬






