৪৭ বছর পর ইরানকে কি শেষ পর্যন্ত মেনে নিল যুক্তরাষ্ট্র?

৪৭ বছর পর ইরানকে কি শেষ পর্যন্ত মেনে নিল যুক্তরাষ্ট্র?

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানান। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, লেবানন–সংক্রান্ত কোনো ধারা মানতে ইসরায়েল নিজেকে বাধ্য মনে করে না।

এই বিরোধ যেভাবেই এগোক না কেন, ঘটনাটি ইঙ্গিত দেয় যে মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক জায়গায় মিলছে না।

হরমুজ প্রণালির বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে অতিক্রম করে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান আলোচনাগুলো ইঙ্গিত করছে, এখানে সরাসরি ইরান ও আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে সমন্বয়ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। বাস্তবিক অর্থে এটি উপসাগরীয় নিরাপত্তায় ইরানের কেন্দ্রীয় ভূমিকার স্বীকৃতি।

অবশ্য এর অর্থ এই নয় যে সব উত্তেজনা শেষ হয়ে গেছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ভবিষ্যৎ আঞ্চলিক নিরাপত্তাকাঠামো এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এ ছাড়া তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কের ইতিহাস সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়। অতীতেও বিভিন্ন চুক্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছে বা দুর্বল করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে গভীর অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, যা দ্রুত দূর হওয়ার সম্ভাবনা কম।