অভিযোগ সত্য নয় দাবি করে মোংলা থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, ‘গভীর রাতে দোকানপাট খোলা থাকে, এলাকায় চুরিটুরি বেড়ে গেছে। এ জন্য এলাকায় বাজে আড্ডা বন্ধ করার জন্য দোকানপাটে গিছিলাম। আসলে স্বার্থান্বেষী মানুষের গায়ে আঘাত লাগলে যা করে আরকি। এটা সঠিক না, আসলে যেটা বলতেছে, আমি সরকারি চাকরি করি, যথেষ্ট অভিজ্ঞতাও হয়েছে, আমি এগুলো কেন করতে যাব।’
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মাদ নাছের মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিক্ষিপ্তভাবে কিছু অভিযোগ পেয়েছি। আসলে পক্ষে-বিপক্ষে দুই ধরনের কথা আসছে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’




