বিশ্বকাপে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। পাশাপাশি ম্যাথিয়াস কুনহার গোলে স্কটিশদের ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। তাতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউট পর্বের টিকিট কেটেছে সেলেসাওরা। অন্যদিকে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ ৩২-এ নেইমারদের গ্রুপসঙ্গী মরক্কো।
গ্রুপ-সি’র শেষ রাউন্ডের ম্যাচে ব্রাজিলের জার্সিতে ভিনির জোড়া গোলের পাশাপাশি অন্য গোলটি করেছেন কুনহা। অন্য ম্যাচে মরক্কোর হয়ে গোল করেছেন আশরাফ হাকিমি, ইসমায়েল সাইবেরি, সুফিয়ান রাহিমি ও ইয়াসিন গেসিম। হাইতির প্রথম গোলটি আসে মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর গায়ে জড়িয়ে, অন্য গোলটি করেন উইলসন ইসিডোর।
গ্রুপপর্বের লড়াই শেষে ব্রাজিল ও মরক্কো দুদলেরই দুই জয় ও এক ড্রয়ে পয়েন্ট সংখ্যা ৭ করে। গোল ব্যবধানে এগিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল, আর রানার্সআপ হয়ে মরক্কো। এক জয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে স্কটল্যান্ড অবশ্য এখনও টিকে আছে সেরা আট তৃতীয়স্থান হওয়া দল হিসেবে নকআউটের দৌড়ে। আর ৫২ বছর পর ফেরা হাইতিকে বিদায় নিতে হয়েছে খালি হাতে।
মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৭ মিনিটে ব্রাজিলকে লিড এনে দেন ভিনিসিয়াস। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর বিরতি থেকে ফিরে ৬১ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন ম্যাথিয়াস কুনহা।
অন্যদিকে আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ৪-২ গোলে হাইতিকে হারায় মরক্কো। ম্যাচের ১০ মিনিটে লিড পায় হাইতি। মরক্কো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো নিজেদের জালে বল জড়ান। যে গোলটি ১৮,৯৯৪ দিন (৫২ বছর ১ দিন) পর বিশ্বকাপে হাইতি গোলের রেকর্ড। আগে ১৯৭৪ সালের ২৩ জুন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হাইতির হয়ে শেষ বিশ্বকাপ গোলটি করেছেন মানো স্যানন। সে ম্যাচে ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল হাইতি।
ম্যাচের ৩৯ মিনিটে মরক্কোকে সমতায় ফেরান আশরাফ হাকিমি। তবে চার মিনিট ফের লিড বাড়ান উইলসন ইসিডোর। তাতে প্রথমবার বিশ্বকাপে কোনো দলের বিপক্ষে একের অধিক গোলের কীর্তি গড়ে তারা। বিরতির আগেই অবশ্য সমতায় ফেরে মরক্কো। যোগ করা সময়ের ৪৫ মিনিটে গোল করেন ইসমায়েল সাইবেরি। ২-২ সমতায় বিরতিতে যায় দুদল।
বিরতির পর ফিরে ম্যাচের ৭৮ মিনিটে সুফিয়ান রাহিমির গোলে লিড নেয় মরক্কো। এরপর ৮৯ মিনিটে ইয়াসিন গেসিম গোল করে ব্যবধান বাড়ান। তাতে ৪-২ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে মরক্কো।





