সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ৭ দেখায় কখনও না হারার রেকর্ড নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচে নেমেছে আর্জেন্টিনা। জয়ের ধারা অক্ষত রাখার রেকর্ডে ম্যাচের শুরুতেই লিড আদায় করে নিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। লিওনেল মেসির অ্যাস্টিস্টে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোল। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের শুরুটা ইতিবাচক ছিল সুইজারল্যান্ডের। প্রথম তিন মিনিটে একাধিকবার আর্জেন্টিনার রক্ষণে হানা দিয়েছিল তারা। তবে জোরাল আক্রমণ সাজাতে পারেনি। ষষ্ঠ মিনিটে দারুণ দলীয় সমন্বয়ে আক্রমণ সাজায় সুইশরা। ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে শট নিতে ব্যর্থ হয়। পরে ডি বক্সের বাইরে থেকে নেয়া গ্রানিত জাকার শট উপর দিয়ে উড়ে যায়।
ম্যাচের নবম মিনিটে প্রথমবার আক্রমণে যায় আর্জেন্টিনা। গঞ্জালো মন্টিয়েলের দেয়া ক্রসে মাথা ছোঁয়াতে পারলেন না আর্জেন্টিনার কেউ। ফিরতি বল পেয়ে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে দেন লিওনেল মেসি। তবে ম্যাক অ্যালিস্টারের শট প্রতিপক্ষ ফুটবলারের গায়ে লেগে চলে যায় বাইরে। কর্নার পায় আর্জেন্টিনা। পরপর দুবার কর্নার পেয়ে দশম মিনিটে গোল আদায় করে আলবিসেলেস্তেরা। মেসির নেওয়া কর্নারে সবার চেয়ে ওপরে লাফিয়ে উঠে বল জালে জড়ান ম্যাক অ্যালিস্টার। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপে মেসির দশম অ্যাসিস্ট এটি, চলতি আসরে দ্বিতীয়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দিয়েগো ম্যারাডোনার সর্বোচ্চ ৮ অ্যাসিস্ট রেকর্ড মিশর ম্যাচেই ছাড়িয়ে যান মেসি। এবার নিজের রেকর্ডকেও আরও টেনে নিলেন।
৩১ মিনিটের মাথায় বড় সুযোগ তৈরি করেছিল সুইজারল্যান্ড। একা বল পেয়ে আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেছিলেন ড্যান এনডয়ে। তবে এগিয়ে এসে স্লাইড করে বল ক্লিয়ার করে আর্জেন্টিনাকে গোলহজম থেকে বাঁচান এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এরপর আরও কয়েকবার আক্রমণে যায় সুইশরা, তবে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় লিওনেল স্কালোনি শিষ্যরা।




