কুয়েত ও জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, উপগ্রহ চিত্রে ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ – DesheBideshe

কুয়েত ও জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, উপগ্রহ চিত্রে ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ – DesheBideshe


কুয়েত ও জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, উপগ্রহ চিত্রে ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ – DesheBideshe

তেহরান, ৩১ জুলাই – কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র এবং উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে কুয়েতের আলি আল সালেম এবং জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে ইরানি বাহিনী। আইআরজিসি সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের পাল্টা জবাব হিসেবে কুয়েতের আলি আল সালেম ঘাঁটির দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং হেলিকপ্টারের জ্বালানি ডিপোতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষণকারী অ্যাকাউন্ট মেনচওসিন্টের প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রেও একই স্থানে আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। অন্যদিকে জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

উপগ্রহের প্রাথমিক ছবি অনুযায়ী সেখানে থাকা মার্কিন এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আইআরজিসির দাবি মতে, এই হামলায় অন্তত তিনটি এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও কয়েকটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে জর্ডানের ওই ঘাঁটির নির্দিষ্ট যে অংশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, সেগুলোর নির্মাণকাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছিল এবং জুলাই মাসের শুরুতে সেগুলো চালু করা হয়। প্রায় এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে ছোঁড়া ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিখুঁত নিশানায় সেখানে আঘাত হানে।

ক্ষয়ক্ষতির এমন সুস্পষ্ট প্রমাণ মিললেও এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী কিংবা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য গোপন বা কমিয়ে দেখানোর নজির রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।

এস এম/ ৩১ জুলাই ২০২৬