ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) হিসেবে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন নীলফামারী জেলার কৃতী সন্তান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. ওবায়দুর রহমান (তারেক)।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ব্যারিস্টার তারেকসহ সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ডিএজি পদে এটিই প্রথম নিয়োগ।
বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর শাখা। পৃথক আরেক প্রজ্ঞাপনে, ১৭৯ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ব্যারিস্টার মো. ওবায়দুর রহমান (তারেক) ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিনি পুনরায় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
ব্যারিস্টার তারেকের গ্রামের বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে। তিনি যুক্তরাজ্যের ‘লিংকনস ইন’ থেকে ‘বার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি অর্জন করেন।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার তারেক দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। জনস্বার্থ ও সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা ছাড়াও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
তাঁর এই পুনর্নিয়োগে নিজ জেলা নীলফামারীসহ আইনাঙ্গন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা—অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে ব্যারিস্টার তারেক দেশের বিচারব্যবস্থার উন্নয়ন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনস্বার্থ রক্ষায় অনন্য অবদান রাখবেন।





